অপার
রাত এখন। অন-ত আমার জন্য। এমন রাতগুলো প্রতিদিন আমাকে অসীম দেখাচ্ছে। ঠিক যা দেখতে চাইছি, তাই। এখন প্রবল সুখী এক ভীষণ মানুষ আমি। একটা পঁয়ত্রিশ। শাদা রংয়ের এই হাতঘড়িটা মোনা কিনে দিয়েছে এবার। আগেরটাও সে’ই দিয়েছিল। নষ্ট হবার পরও কাঁচ ছাড়া, কাঁটা ছাড়া পরেছিলাম আমি। ম্যানিব্যাগও মোনা কিনে দিতে চেয়েছিল। দেখার পর ওর ধারনা ম্যানিব্যাগ নষ্ট হয়েছে। না, তেমনটি নয়। ম্যানিব্যাগ ঠিকঠাক।
অফিস
থেকে ফিরলাম বারোটার আগে। ব্রাজিলের আপেল কিনেছিলাম। খেলাম। তারপর একটি কলা। গ্যাষ্ট্রিকের সিরাপ। জ্বরের ট্যাবলেট খেয়েছিলাম অফিসে বসে। জ্বর এসেছিল। তরকারী থেকে টক গন্ধ বেরুচ্ছে। গরম করে নিলাম। সাথে দুপুরের করা কৈ মাছের ভূনা। ভূনা এখনো খাওয়াই হয়নি। খেতে পারছি না। অর্ধেক প্লেট খেতেই ক্লান- হয়ে পড়ছি। কাল থেকে এ অবস'া আমার। ঢাকা থেকে কাল ফিরলাম। সকালেই জ্বর এসেছিল। সেইসাথে ডিসেন্ট্রি। উদ্ভট ঝামেলা। এ অবস'ার জন্য বাস ধরতে চার ঘণ্টা লেট হয়েছে। ঢাকায় যা খেয়েছি, আমার কাছে তা অযোগ্য। খুব কষ্ট নিয়ে ফিরে এসেছি। এখনো অসুস'্য আছি। সাবেক ম্যাচমেটের এক বন্ধু এসেছিল। তার নাম জানা হয়নি। আটাশ আগস্টের পত্রিকা নিতে এসেছিল। তার নামে কি এক ওয়ারেন্ট বেরিয়েছে, এমন খবর শুনে সে এসেছিল। একটু পর সে জানালো এমন কোন খবর সে খুঁজে পায়নি। তারকিছুটা পর সিগ্রেটের সাথে ক্যানাবিস টানলাম, তাতে মাঝামাঝি পর্যায়ের ইচ্ছেডানায় ভর করতে পারলাম। এটা আমার অপূর্ব এককাল।
সকালটা
খুব দ্রুতই শুরু হয়েছিল আজ। কিছুটা পান-াভাত খেয়েছি তার কিছুটা পর। কাপড় ধুয়েছি। মাছ পরিস্কার করেছি। কাঁচাকলালাউআলুর কৈ ঝোলের পাশাপাশি কিছুটা পেঁয়াজভূনা করেছি। খেতে পারিনা। খেতে খেতে ক্লান- হই। প্রকাশকের বাসায় মিটিংয়ে যাবার পর শরীর ভেঙ্গে পড়লো। আর দুজন সুস' হয়ে উঠছে। অনেকগুলো রোগ থাকায় আমি পারছি না। মোনার সাথে কথাও বললাম বেশ কিছুক্ষণ। তারপর ঘুমালাম। কাল রাতে ফোন করে নতুন এক ছেলেকে নিউজে জয়েন করতে বলেছিলাম। তাকে অনেকবিষয় জানালাম। বললাম, নিউজের কাজ চমৎকার
এডভাঞ্চার।
যখন স্যারের সামনে বসবে তোমাকে ভীতসন্ত্রস- করে তুলবে। স্যার লম্বা সময় বগুড়ায় আসবেন না। আজ সকাল শুরু হয়েছিল বাবার ফোন পেয়ে। উনি জানতে চেয়েছিলেন, গতকালের চেয়ে সুস'বোধ করছি কি না। বললেন, যেটা খেতে পারো কিনো খেয়ো। আমি আচ্ছা বললাম।
No comments:
Post a Comment