অনেকগুলো
ওষুধ কিনেছি আজ। সবমিলিয়ে আমার ওষুধের সংখ্যা এখন ষোল। কোনটা কখন খাবো ঠিকঠাক জানিনা। যখন যেটা মনে হচ্ছে খাচ্চি। বলতে গেলে ম্যাসাকার অবস'া। মোনার সাথে আজ অনেক কথা বলেছি। ভাল লেগেছে। মোনা বলেছে, সে আমাকে অনেক ভালবাসে। আমিও বলতে পারতাম। রাত দুটোআটাশ। ভাত খাবো। আবার ওষুধ খাবো। তারপর ঘুমাবো। এঘরে বেলা করে ঘুমানো যায় না, কাঁচের জানালা দিয়ে আলো আসে। জানালায় দীর্ঘপর্দা আঁটবো। ক্ষণিক আগে একটা কবিতা লিখলাম। কবিতাটি খুব ভালো লেগেছে আমার। আমার ধারণা পাঠক হিসেবে আমি ভালোধরণের।
‘নিম্নপক্ষ’ নামের এই কবিতাটি এমন-
কিছু
অশ্লীল বিষয়ে আমি সবসময় জড়িয়ে থাকি।
এই
আজকেই কোচিংয়ে পড়তে আসা
গোলাপি
মেয়েটির দিকে অফিসের জানালা
থেকে
তাকালাম অনেকক্ষণ।
মুখ
দেখবার পর বুকে তাকিয়ে দেখি গোলাপ
ছাড়া
আরো কিছু ফুল গোলাপি হয়।
একবার
ইচ্ছে হলো ওকে বলে ফেলি
জলপ্রপাতে
সাঁতারের কথা- একবার
ইচ্ছে
হলো চেয়ে বসি মন।
আমার
মধুচন্দ্রিমার
দুদিন আগেও জোৎস্নাকে
প্রেমিকা
ভাবতে শুরু করেছিলাম। একরাতে
কি
জবরদসি- করে ওকে বিছানায় নিলাম।
রোদ
বৃষ্টি জোনাকির কথা বলতে মনে হয়
আরো
একহাজার বছর আগে থেকেই এরা
আমার
অধরা প্রেমিকা। অধরা প্রেমিকার
অধরে
শোবার স্বপ্ন আমিও দেখছি
কয়েক
জন্ম থেকে।
নিরন্ন
এই আমি একদিন দুর্গার বুক দেখে
মাতাল
হয়েছি, নইলে মন্ডপের সামনে
আড়াইঘণ্টা
দাঁড়িয়ে আর কি দেখেছি
এই
পূঁজোমাসে।
খুব
ভুল করে একদিন ঈশ্বরী এসে পড়েছিল
আমার
সীমানায়। তারপর জন্মাতে শুরু করলো
এক
একটি অসভ্য গোষ্ঠি।
No comments:
Post a Comment